কথা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, দুনিয়াতে যত দৃশ্যমান বস্তু রয়েছ, এরচেয়ে বেশি রয়েছে অদৃশ্যমান বস্তু। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সময় ও সকালের চাহিদা অনুপাতে সেসব মূল্যবান সম্পদকে দৃশ্যমান করেন।সময় ও যুগের চাহিদায় আজ কম্পিউটারসহ নানা ধরণের প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেকট্রিক মিডিয়া বিকশিত হয়েছে।সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষ আজ পৃথিবীর সকল মানব জাতিকে এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসার মত বিস্ময়কর সময় পার করছে। শক্তিশালী এই মাধ্যমটির দ্বারা মানুষ রাতারাতি ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে।
আমরা এসব মিডিয়ায় অনেক ইসলাম প্রচার করতে দেখি। তবে ইসলাম প্রচারের নামে অনৈসলামিক কর্মকাণ্ডই বেশি প্রচার করতে দেখা যায় এই প্ল্যাটফর্মটিতে। আবার অনেকে তো ইসলামকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
আমরা যদি সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মকে ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রচারের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে পারি তাহলে একদিন বিশ্ব মানবতা আদর্শবাদী ইসলামের সঠিক চিত্র সম্পর্কে জানতে পারবে। অন্যদিকে ধর্মের নামে যারা মোডারেট ও বিকৃত ইসলামের প্রচার করে, তাদের স্বরূপ উন্মোচিত হবে ইনশাআল্লাহ।
তবে এই ক্ষেত্রে পূর্ব শর্ত হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ার খারাপ দিকগুলো আমাদেরকে বর্জন করতে হবে, আর ভালো দিকগুলো সঠিকভাবে আত্মস্থ করতে হবে।
আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি, সকল ধরনের খারাপ ও অপসংস্কৃতি পরিত্যাগ করে মুসলিম সমাজ যদি সোশ্যাল মিডিয়াকে সঠিকভাবে ইসলামিক দাওয়াহের কাজে ব্যবহার করতে পারে, তাহলে একদিন এই শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম সোশ্যাল মিডিয়া পৃথিবীকে একটি সুন্দর ও তাওহীদবাদী সমাজ উপহার দিতে পারবে ইনশাআল্লাহ।


0 মন্তব্যসমূহ